হতে চান গ্রাফিক্স ডিজাইনে সফল? তবে আপনার জন্যই লেখাটি!

নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের প্রথম লক্ষ থাকে, সে একদিন অনেক বড় মাপের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবে, তার ডিজাইন করা প্রডাক্ট গুলো সারা বিশ্ব ছাড়িয়ে পড়বে পাশাপাশি এক সময় ভালো আয় করবে। কিন্তু অন্য ৮/১০ টা প্রফেশনের মত ডিজাইনিং সেক্টরেও ক্রিয়েটভিটির গ্রো করিয়ে নিয়ে ট্রেন্ডের কাজ করে যেতে দরকার কঠিন পরিশ্রম আর সঠিক গাইড লাইন, তাহলেই সম্ভব সফল হওয়া আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো যা আপনাকে অবশ্যই অনুপ্রাণিত করবে বহুলাংশে।

# আপনি যা করতে পারেন না, সে বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়ান

ধরুন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য বা আরও বিস্তারিত জানার জন্য ওয়েবে ঘোরাঘুরি করছেন, হঠাৎ আপনি সুন্দর এক ওয়েবসাইটের ভিজিট করলেন, আর আপনার মনে হল আপনিও যদি এমনটা করতে পারতেন, কেমন হত তবে? হ্যাঁ আপনিও পারবেন, তবে আপনাকে তাৎক্ষনিক কিছু প্রশ্ন মনে আনতে হবে এবং নিজেকেই সেই প্রশ্নের সমাধান করে করে আনতে হবে। নিচের প্রশ্ন গুলো দেখুন…
১। কিভাবে গ্রাফিক্স টি সম্পাদন হলো বুঝতে চেষ্টা করুন?
২। ডিজাইনটি করার সময় কোন কালার স্কিম ব্যাবহার করছে?
৩। সে নতুনত্ব কি কি আনলো ওয়েবসাইটে?
৪। কোণ বিশেষ ইফেক্ট আছে? সেটা কিভাবে করা যেতে পারে?

“আমি সব সময় এমন কিছু করার চেষ্টা করি যা এর আগে আমি কখনো করিনি আর এর মাধ্যমে আমি প্রতিদিনই নতুন নতুন কিছু শিখি”
# তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা
আপনাকে সফল হতে হলে অবশ্যই তাৎক্ষনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার ক্ষমতা রাখতে হবে। প্রথমে কিন্তু আপনি পারবেন না কিন্তু দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি ঠিকই পারছেন। আর একটি কথা মনে রাখবেন, কখনো কোন টিউটরিয়াল দেখে আপনি কিছু শিখতে পারবেন না যদি কিনা আপনি সেটার প্রচেষ্টা না করেন। আর আপনার যদি কালার স্কিম নিয়ে সমস্যা হয় তাহলে আপনি এই ২টা অ্যাডঅন ব্যাবহার করে খুব সহজেই সেটি বের করে নিতে পারবেন।

• গুগল ক্রম এর জন্য- আই ড্রপার
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- কালার জিলা
আর কোন ওয়েবসাইটের প্রকৃত মাপ জানতে চাইলে এই ২ টা অ্যাডঅন আপনার কাজে লাগবে।
• গুগল ক্রম এর জন্য- পেজ রুরাল
• মজিলা ফায়ারফক্স এর জন্য- মিসুরালেট
# এবার আপনি গবেষণা শুরু করুন
আপনি এতক্ষণ যে আইডিয়া পেলেন বা যেভাবে গ্রাফিক্সের কাজ করবেন বলে ভাবলেন সেটাকে আমি ফ্রী স্টাইলের কাজ করা বলি এবং ঠিক এই একই ভাবে কাজ করে আমি অনেক নতুন নতুন আইডিয়া পেয়েছি।
# কমেউনিটিতে যোগদান
সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কমেউনিটিতে যোগ হতে হবে। বর্তমানে অনেক ফেসবুক গ্রুপ আছে, আছে বিভিন্ন ফোরাম যেখানে গ্রাফিক্সের অনেক অনেক আলোচনা হয় আর সাথে আপনি অনেক টিপস ও টিউটোরিয়ালও পাবেন যা আপনার ট্রেন্ডি করে ভালো করতে সেখাবে।

অন্যান্য ডিজাইনারেরা কিভাবে আর কি কাজ করে সেটি জানবেন। এখানে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন যা আপনার অনেক হেল্প করবে নতুন কোন ডিজাইন করতে। DeviantART, Behance, Dribbble ইত্যাদি এই সাইট গুলোতে আপনি আপনার ডিজাইন স্যাম্পল জমা দিতে পারবেন। নিতে পারবেন আপনার ডিজাইনের ফিডব্যাক। আপনার পরিচিতি বাড়ানো কারন আপনি যদি একজন ভালো মানের ডিজাইনার হতে চান তবে ভবিষ্যতে এটি আপনাকে অনেক হেল্প করবে। আপনার সাবমিট করা ডিজাইন গুলো পোর্টফলিও হিসেবে কাজ করে, এগুলো দেখে অনেকেই আপনাকে হায়ার করতে চাইবে পাবেন অনেক কাজের অফার।
# বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগদান করা
বিভিন্ন সময় দেখা যা ওয়েবে অনেক কন্টেস্ট চালু করে তাদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, আপনার উচিৎ অবশ্যই সেই গুলোতে যোগ দেয়া। আপনি ভাব্বেন না যে আপনি সেখানে টিকতে পারছেন না বা পারবেন না, আমি বলবো আপনি কখনো মনোবল হারাবেন না লেগে থাকুন আর আগের করা ভুল গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন। নিয়মত বিভিন্ন কন্টেস্টে যোগ দিন, পাঠান আপনার কাজের স্যাম্পল।

আমি আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু সাইটের সন্ধান দিচ্ছি যেখানে প্রাই সময় কন্টেস্ট চালু করে থাকে-
• 99Designs
• HatchWise
• CrowdSpring
কন্টেস্ট যোগ দেওয়ার আগে কিছু কথা
• কর্তৃপক্ষ ঠিক কোন ধরনের ডিজাইন চাচ্ছে সেটি ভালো করে বুঝুন।
• আপনার ক্লাইন্টের চাহিদা ঠিক কেমন।
• আপনার ক্লাইন্ট কে বোঝানোর চেষ্টা করুন আপনার কথাগুলা।
# আপনার জ্ঞান শেয়ার করুন গেস্ট পোস্ট অথবা নিজের ব্লগেই
আপনি নিয়মিত লিখা লিখি করতে পারেন, নিজস্ব ব্লগ কিংবা বিভিন্ন গেস্ট ব্লগ সাইটে, অংশ গ্রহণ করতে পারেন ফোরাম সাইটেও। ওয়েবে মার্কেট ধরার এখন পর্যন্ত শীর্ষ একটা মাধ্যম হচ্ছে ফ্রি কন্টেন্ট ডেভেলপ করা, আর যা অতি সহজেই ব্লগিং করে করতে পারবেন। নিজের এক্সপার্টাইজ দেখিয়ে ভালোভাবে ব্লগিং চালিয়ে যেতে পারবে খুব ভালো সারা পাবেন। দেখবেন যে আপনি আস্তে আস্তে ঐ বিষয়ের জনপ্রিয় একজন লেখক হয়ে উঠেছেন আর তখন আপনি নতুন কোন ক্লাইন্ট পেয়ে গিয়েছেন। তাই আপনার ভেতরে যা আছে টা সবার সাথে শেয়ার করুন এতে করে সময় নষ্টের চেয়ে উপকারটাই বেশি হবে।
পরিশেষে আমি আপনাকে এতটুকু বলবো আপনি যদি একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাহলে আমার দেয়া নির্দেশনা গুলা ফলো করতে পারেন। আর কেউই কখনো পারফেক্ট ডিজাইনার হতে পারে না ভুল করতে করতে সে তার ভুল গুলা সংশোধন করে নেয়। আপনিও ভুল করুন আর আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন দেখেবন আপনি একদিন অনেক ভালো মানে ওয়েব বা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন।

Youtube মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা

YouTube সম্পর্কে ধারনা নেই এমন একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হয়ত খুজে পাওয়া অনেকটা দূষ্কর হবে। বর্তমানে ভিডিও শেয়ারিং এবং দেখার জনপ্রিয় একটি সাইট হচ্ছে YouTube। YouTube মার্কেটিং সম্পর্কে হয়ত অনেকেই জানেন,যারা জানেন না তাদের জন্য আজকের এই টিউন।

ইদানিং বিভিন্ন ব্লগে ফেসবুকে প্রায় ঠিক এই রকম কিছু টিউন দেখতে পাই যে রাতারাতি আউটসোর্সিং করে প্রচুর টাকা ইনকাম করছে। সকালে একাউন্ট খুললে দুপরে ৫ ডলারের মালিক হয়ে যাচ্ছে। যার কারনে ফ্রিলাইন্সিং তথা ইন্টারনেট জগতে প্রতি নিয়ত বাড়ছে স্প্যামিং। স্প্যামিং এর লোকেশন বিশ্লেষন করলে দেখা যায় বাঙ্গালীরা এর সাথে বেশী জড়িত। যার ফলে বঃহিবিশ্বে ক্লাইন্টদের কাছে বাংলাদেশীদের জন্য একটি নিছু এবং ঘৃন্য মনসিকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
আমি বলি কি যারা রাতারাতি টাকা ইনকামের পথ খুজতেছেন তাদের জন্য YouTube নয়। যারা মেধা, যোগ্যতা,ধৈর্য্য, সৃজনশীলতা এবং সততার সাথে কাজ করতে পারবেন তাদের জন্য  YouTube। তাই বুঝে শুনে নামবেন।

ইউটিউব মার্কেটিং আসলে কি?
সহজ কথায় YouTube এ ভিডিও আপলোড করে অর্থ উপার্জনের একটি সহজ মাধ্যম। অনেকের মনে হয়তবা প্রশ্ন উঠতে পারে YouTube এ ভিডিও আপলোড করলে কিভাবে অর্থ উপর্জন করা সম্ভব?
একটা জিনিস ভাল করে লক্ষ করবেন আপনি যখন YouTube এ কোন ভিডিও দেখেন তখন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ভিডিও এর নিচের অংশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আর এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন। আপনার ভিডিও যত বেশী দেখা হবে আপনার একাউন্টে তত বেশী টাকা জমা হবে। অর্থাৎ সহজ কথায় আপনার আপলোড করা ভিডিও এর যত বেশী ভিউ হবে আপনার আয় তত বেশী হবে।

পরবর্তীতে YouTube মার্কেটিং নিয়ে আরও কিছু টিউন লেখা হবে সেই পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরুন।

Fiverr এ Gig সেল পাওয়ার সহজ উপায়। নতুনদের জন্য

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলে কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।
আপনারা যারা ফাইভার এ নতুন একাউন্ট করছেন এবং গিগ করছেন কিন্তু অর্ডার পাচ্ছেন না, তাদের জন্যই আজকে আমার এই টিউন।

১। প্রোফাইল শুরুতেই আপনাকে আপনার ফাইভার প্রোফাইল এর দিকে নজর দিতে হবে। আপনি যে ধরনের সার্ভিস দিবেন সে সম্পর্কে খুবই সুন্দর ভাবে লিখুন যাতে বায়ার আপনার কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পায়। নিজের স্পষ্ট এবং হাস্যজ্জল একটা প্রফাইল পিকচার দিন।
২। গিগ আপনি যে সার্ভিসটি বায়ার কে প্রোভাইড করতে চান, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ও নিখুতভাবে নিজেই লিখার চেষ্টা করুন। এবং টাইটেল টা আপনার সার্ভিস সম্পর্কেই থাকতে হবে। মনে রাখবেন, টাইটেল যত বেশি আকর্ষণীয় হবে আপনার গিগ এর সেল তত বেশি হবে। গিগ রিলেটেড পিকচার দিতে ভুলবেন না। গিগ এর ডেলিভারি টাইম মিনিমাম ১ দিন এবং সরবচ্চ ২ দিন দিবেন। বায়ার অল্প সময়
৩। গিগ ভিডিও আপনার গিগ এর জন্য খুবই সুন্দর একটি ভিডিও তৈরি করুন। ফাইভার এ গিগ ভিডিও এর জন্য ২২০% সেল বেশি হয়ে থাকে। মনে রাখবেন, ভিডিও তে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা থাকা চাই। ফাইভার এ ভিডিও তৈরির অনেক সফটওয়্যার পাবেন অনলাইনে। আমি নিজে camtasia ব্যবহার করি।
Important: গিগ এর সেল বাড়ানোর জন্য শেয়ার করুন নিয়মিত। আর একটা বিষয় না বললেই নয়, নিয়মিত buyer request পাঠান। প্রতিদিন বুঝেশুনে ১০ টি করে বায়ার রিকুয়েস্ট পাঠান, আগামি ৫ দিনের মধ্যেই সেল পাবেন ইনশাল্লাহ।বায়ার রিকুয়েস্ট যত ভাল ভাবে পাঠাবেন তত বেশি সেল পাবেন।

Alexa রেংক কমানোর বেষ্ট উপায়, ৯৯% কাজ প্রমাণিত।

Alexa (আলেক্সজা) কী ?
আলেক্সজা(Alexa) হল এমাজন এর একটি কোম্পানি এটির কাজ হল পৃথিবীর যত সাইট আছে তার রেংক নির্ধারন করা। একটি উদাহারণ দিচ্ছি দরুন আমি একটি ওয়েব সাইট তৈরি করি আর আমি আমার সাইটে এর জনপ্রিয় কেমন, তার উপর নিভর করে আমার সাইটির একটি নম্বর পায় যা আলেক্সজা আমাকে প্রধান করে।আর এই নম্বার যত কম হবে আমার সাইট টি তত বেশি জনপ্রিয়।
এক নজরে আপনার সাইটটির Alexa (আলেক্সজা) রেংক দেখে আসুন এখানে
আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা নিজেদের ব্লগ পরিচালনা করেন এবং নিজেরা টিউন করেন কিন্তু তাদের ব্লগে ভাল ভিজিটর ও আছে কিন্তু ব্লগ এর রেংক কমে না ওলটা বাড়ে তাই না ভাই ?
আপনার ব্লগ এ রাঙ্কিং অনেক বেশি। আপনার ব্লগের আলেক্সা রাঙ্কিং দিন এর পর বাড়ছে এক সময় ছিল ৫ লাখ আর এখন তা ২০ লাখ এবং দিনের পর দিন তা বেড়ে চলছে। আপনি ঠিক বুজে উঠতে পারছেন না কি করে আলেক্সজা রাঙ্কিং কমাবেন। আপনি ভাবছেন এই আলেক্সা রাঙ্কিং একটা ফালতু জিনিস, না ভাই ফলতু না।
আপনি এই কথা গুলো মানেন আর দেখুন আপনার রেংক কত তারা তারি ভাল হয়ে ওঠে
শুরু করুন…
১.কপি করা কোন টিউন থাকলে তা তুলে দেন।
২. কিছ ভাল পোস্ট লেখুন আর তা বিভিন্ন সাইটে (সামাজিক সাইটে)দিয়ে মার্কেটিং করুন।
৩. সামান্যতম এস ই ও করুন (সামান্য SEO শিখুন)। (টিটি তে শিখতে পারেন অনেক ভাল টিউটরিয়াল পাবেন টেকটিউনস সাইটে)
৪. কম করে তিন দিন পর পর একটি ভাল টিউন দিন যা সবার নজর কাটবে।
৫.যে টিউনে মানুষের কোন উপকার হবে না সেই টিউন ডিলিট করুন(যেমন মিথ্যা বলে টাকা আয় করার উপায় ইত্যাদি হাবি-জাবি)
৬. আপনার সাইটে বাউন্স রেট কমান।
৮. আপনার নতুন টিউন এর সাথে পুরাতন টিউন এর লিংক ব্যবহার করুন।
এতে করে ভিসিটর আপনার সাইটে বেশি কক্ষ থাকবে এবং আলেক্সজা রাঙ্কিং ও কমে।
৯. ব্লগে একটা সুন্দর মেনু বার দিন।এই মেনু বার ও কিন্তু আলেক্সা রাঙ্কিং কমায়।
১০. সোসিয়াল শেয়ার (ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটার, ইত্যাদি)
১১. সোসিয়াল  বুক মারকিং

নিজের ওয়েবসাইট বানাতে চান ফ্রি তে ? তাহলে বিনামূল্যে .com ডোমেন নিন।

আমরা অনেকেই নিজের ওয়েবসাইট বানাতে ইচ্ছুক, কি তা হয়ে ঠে না কারন .com ডোমেনের বছরের মূল্য ৭০০-৮০০ টাকা। যা ষ্টুডেন্ট দের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। তারপর ত হোষ্টিং এর খরচ আছে। কিন্তু ফ্রি হোষ্টিং তো নিলেন। ডোমেন ত ফ্রি তে নেওয়া সম্ভব নয়।

হ্যা http://www.freenom.com  থেকে .cf, ga, tk, ml এসব  ডামেন ফ্রি পাওয়া যায়। কিন্তু এসব ডোমেন দিয়ে ওয়েবসাইট বানালে তা মূল্যহীন হয় কারন টেকটিউনস এ সবাই জানে এগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায়। আবার এগুলো কান্ট্রি সিলেক্টটেড ডোমেন। যার জন্য গুগোল োওেব মাস্টারে এসইয়ো করতে গিয়ে বাংলাদেশ টারগেট করা যায় না। ফলে বাংলাদেশি ভিজিটর আসে। এই সমস্যার সমাধান করতে গুগলে প্রচুর খোজাখুজি করলাম, আসলে গুগোলে খুজলে কি না পাওয়া যায় বলুন। একটা সাইট পেলাম যেখানে রেজিষ্টেশন করে আপনি ফ্রি ডোমেন পাবেন। সাইটের নাম ফ্রি ডোমেন ফ্যাক্টরি এখানে রেজিস্টেমন করুন: Free domain Factory
রেজিষ্টেশন সফল হলে দেখবেন  ১০ পয়েন্ট পেয়েছেন। এরপ র এদের দেওয়া কিছু সাইটে সাইন আপ করে ৫০ পয়েন্ট বানান তাহলে আপনি ডোমেনের জন্য এপ্লাই করতে পাবেন।
এরপরে আসি হোষ্টিং এ। বিষয় হচ্ছে হোষ্টিং মানেই ঝামেলা। যারা কোন ট্রাষ্টেড সাইট খুজে পাচ্ছেন না তারা http://www.hostinger.co.uk
এই সাইটে সাইট বিল্ড আপ করুন। এদর সার্ভার খুব ভালো। অন্যদিকে 2Freehosting, 1freehoisting,000webhost এগুলোর সার্ভাার ডাউন থাকে সবসময়। বেটার হয় গুগল ব্লগারে সাইট হোষ্ট করতে পারলে সারাজিবনেও সাইট ডাউন হবে, কেউ হ্যাকও করতে পারবে না, কারন গুগলের সিকিউরিটি সেই কোয়ালিটির।

আপনার ওয়েবসাইটের জন্য চমৎকার ইমেইল সাসক্রাইব উইগেট

আমাদের ৮৫ ভাগ লোকের নিজষ্ব ওয়েবসাইট আছে। যাদের ওয়েবসাইট আছে তারা বোঝেন একটা ওয়েবসাইটরে জন্য ইমেইল সাসক্রাইব বক্সের গুরুত্ব কত। আপনাদের এই কথা গুলো চিন্তা
আপনার ওয়েবসাইটে ইমেইল সাসক্রাইব বক্স লাগানোর জন্য প্রথমেই আপনার একটি Feedburner একাউন্ট থাকতে হবে। Feedburner 

আপনার ওয়েবসাইটে এই ডিজাইনের ইমেইল সাসক্রাইব বক্স লাগাতে চাইলে আপনার
ওয়েবসাইটের ড্যাসবোডে গিয়ে > Template > Edit HTML
তারপর Ctrl+F চেপে এই কোডটি খুজে বের করুন ]]></b:skin> এই কোডটির উপরে নিচের কোড গুলো বসান।
.newsletter-sm {
background:#fff;
width: 100%;height: 253px;
margin: 0;
padding: 20px;
}
.newsletter-sm form {
padding: 10px;
margin-top: -37px;
}
.newsletter-sm h3 {
color: #FFF;
font-family: algerian;
font-size: 24px;
font-weight: normal;
text-align: center;
padding: 10px;
text-shadow: 2px 2px 2px #000;
margin-top: -18px;
box-shadow: 0px 0px 5px 2px #000;
margin-right: -20px;
position: static;
margin-left: -20px;
margin-bottom: 10px;
background: #009EFF;
}
.text {
font-size: 14px;
color: #FFF;
margin-left: -20px;
padding-bottom: 28px;
margin-right: -20px;
background: #009EFF;
font-family: cursive;
line-height: 20px;
}
.newsletter-sm .fa {
float: left;
padding-left: 16px;
padding-right: 16px;
padding-bottom: 16px;
padding-top: 7px;
font-size: 140px;
}
.newsletter-sm .newsletter-input-sm {border: 0;
padding: 5px 10px;
width: 69%;
float: left;
height: 40px;
font-family: oswald;
color: #555;border-radius: 3px; -webkit-border-radius: 3px; -moz-border-radius: 3px;}
.newsletter-sm .newsletter-sm-bot{  background: #009EFF URL MAMUNHAYDEN-IT.COM no-repeat;
margin: 27px -30px 0px;
height: 64px;
padding-left: 16px;
padding-top: 16px;
}
.newsletter-sm .newsletter-button-sm {
float: right;
height: 50px;width:23%
display: inline-block;
text-shadow: 2px 2px 1px #000;
font-size: 16px;
font-family: oswald;
padding: 10px 22px;
position: relative;
color: #fff;
text-align: center;
margin-right: 16px;
background: #009EFF;
border: 1px solid #fff;
cursor: pointer;
border-radius: 3px;
-webkit-border-radius: 3px;
-moz-border-radius: 3px;
}
.modalDialog {
position: fixed;
font-family: Arial, Helvetica, sans-serif;
top: 0;
right: 0;
bottom: 0;
left: 0;
background: rgba(0,0,0,0.6);
z-index: 99999;
opacity:0;
-webkit-transition: opacity 200ms ease-in;
-moz-transition: opacity 200ms ease-in;
transition: opacity 200ms ease-in;
pointer-events: none;
}
.modalDialog:target {
opacity:1;
pointer-events: auto;
}
.modalDialog:target > div {
margin: 8% auto;
}
.modalDialog > div {
-webkit-transition: all 100ms ease-in;
-moz-transition: all 100ms ease-in;
transition: all 100ms ease-in;
width: 500px;
position: relative;
margin: 5% auto;
background: #fff;
min-height: 200px;
}
h2.signup {
background:#00aa9f;
border-bottom: 1px solid #008d84;
font-weight: normal;
text-align:center;
padding: 10px;
color:#fff;
font-size: 18px;
}
.close {
color: #888!important;
position: absolute;
top: 1px;
right: -40px;
width: 30px;
height: 30px;
line-height: 30px;
text-align: center;
font-size: 16px;
}
.close:hover { text-decoration:none; }
.close:hover { color:#555; }

তারপর ”</body> “ লিখে সার্চ করুন এবং নিচের কোড গুলো </body> এর নিচে বসান।

<div class="modalDialog" id="signup">
<div>
<a class="close" href="#close" title="Close"><i class="fa fa-times"></i></a>
<div class="signup-container">
<div class="newsletter-sm">
<h3>Subscribe to Newsletter</h3>
<div class="text"><i class="fa fa-envelope"></i><br><div class="texts">Subscribe us to get all our juicy article fastly. You know how and where? Directly on your inbox! Just enter your nice and good looking email id below and click on subscribe button! After that, verify it through the verification email and start learning more!</div></div>
<form action="http://feedburner.google.com/fb/a/mailverify" method="post" onsubmit="window.open('http://feedburner.google.com/fb/a/mailverify?uri= ShahoreyarMostofa.Com, 'popupwindow', 'scrollbars=yes,width=550,height=520');return true" target="popupwindow">
<div class="newsletter-sm-bot">
<input class="newsletter-input-sm" name="email" placeholder="Enter Your Email" type="text">
<button class="newsletter-button-sm" type="submit">Subscribe</button>
</div>
<input name="uri" type="hidden" value="ShahoreyarMostofa.Com">
</form>
</div>
</div>
</div>
</div>

উপরের MAMUNHAYDEN-IT.COM এই কোডটার জায়গা আপনার ফিডবার্নার ইউজার নেম বসান। এবং আপনি চাইলে Subscribe us to get all our juicy article fastly. You know how and where? Directly on your inbox! Just enter your nice and good looking email id below and click on subscribe button! After that, verify it through the verification email and start learning more এই লেখাটি পরিবর্তন করে আপনার পছন্দ মত কথা বসিয়ে দিতে পারবেন। ব্যাস কাজ শেষ এবার সেভ করুন এবয় আপনার সাইটটা ভিজিট করে দেখুন কাজ সফল হয়েছে কি না।

বাইনারি অপশন প্রোডাক্ট কি ও কিভাবে প্রোমোশন করবেন?

আমরা যারা Affiliate  Marketing এর সাথে জড়িত এবং কাজ করছি – Binary প্রোডাক্ট  সম্পর্কে জানি না এমন কেও বলতে গেলে নেই। বর্তমান এ Binary Options সবচাইতে জনপ্রিয় কারণ এদের সেল এর কমিশন ২৫০ – ৩৫০ USD এর মত।  বাইনারি প্রডাক্ট সম্পর্কে কিছু সাধারণ কথা তুলে ধরছি, আশা করি কাজে আসবে। 

বাইনারি / অপশন ট্রেড কি? 
বাইনারি সম্পর্কে ভাল ভাবে জানার জন্য আগে আপনাকে জানতে হবে এই বাইনারি অথবা অপশন ট্রেড কি। আমরা কমবেশি অনেকেই FOREX ট্রেড এর কথা জানি, ফরেক্স এ খুব জনপ্রিয় একটা ট্রেডিং টার্ম হচ্ছে “Scalping”, এতে মূলত যা করা হয় – তা হছে খুব বেশি পরিমাণ ভলিউম এর ট্রেড করা হয় খুব অল্প সময় এর জন্য – যেমন ১ মিনিট অথবা ৩০ সেকেন্ড। এই স্কাল্পার রা দেখা যায় অনেক সময় মাত্র এক ঘণ্টায় বিশাল পরিমাণ এর একটা মনাফা তুলে আনে। এই স্কাল্পিং এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি বেরে যাওয়ার পর – স্কাল্পার দের সুবিধার জন্য ও সহজে এই ট্রেড গুলো করার জন্য আসে বাইনারি। বাইনারি তে আপনি মুদ্রা, পণ্য অথাবা স্টক নির্দিষ্ট সময় এর জন্য ট্রেড করতে পারবেন – যেমন ৩০ সেকেন্ড , ১ মিনিট, ২ মিনিট ইত্যাদি। 
অনেকেই মনে করেন বাইনারি আসলে জুয়া, কিন্তু আসলে এইটা জুয়া না – সত্যি কথা বলতে – শুধুমাত্র মার্কেট এনালাইসিস করে সঠিক সময় এ সঠিক পণ্য / মুদ্রা /  স্টক ট্রেড করে মুনাফা পাওয়া যায়। এখানে যে যত ভালো মার্কেট এনাল্যসিস করতে পারবে সে তত ভালো মুনাফা করবে, আর বাইনারি ট্রেড করার জন্য ঝানু ফরেক্স ট্রেডার হওয়া দরকার।মার্কেট এনালাইসিস করে ট্রেড প্লেস করতে হয় – যেমন নিচের ছবি দুটি দেখেন – একটি Currency আরেকটি Stock. এখন আপনি মার্কেট এনালাইসিস করে যদি বুঝতে পারেন এই Currency Pair এর দাম বাড়বে আপনি UP (buy) দিতে পারেন – আর ট্রেড করতে পারেন ১ মিনিট অথবা ৩০ সেকেন্ড এর জন্য। এক মিনিট পরে যদি আপনার এনালাইসিস অনুযায়ী দাম বারে তাহলে আপনি প্রফিট করবেন আর দাম কমে গেলে আপনি লস করবেন। 

বাইনারি রোবট / সফটওয়্যার কি?
বাইনারি ট্রেড এ ভালো টাকা আয় করা যায়, কিন্তু এর জন্য অনেক বেশি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দরকার। এবং সাধারণত এই অবস্থায় যা হয় – বাইনারি তে ভালো কামাই করা যায় জানার পর যারা পারে না তারা দক্ষ দের কাছে যায় এবং বলে আমাকে একটু হেল্প কর এই বেপারে, আর দক্ষ রা যা করে – ওদের বলে দেয় তুমি এখন এইটা ট্রেড কর, অথাবা আমার ট্রেড দেখে দেখে ট্রেড কর। এই যে একজন দক্ষ ট্রেডার আর এক জন অদক্ষ ট্রেডার কে বলে দিচ্ছে কখন কি ট্রেড করতে হবে, অথবা ওর নিজের ট্রেড অন্যদের ফলো / কপি করার সুযোগ দিচ্ছে এই সুবিধাটাকেই বলা হচ্ছে ট্রেডিং সিগনাল। বর্তমান এ এই রকম সিগনাল গুলো সহজে নতুন ট্রেডার দের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ভালো মানের ট্রেডার রা তৈরি করছে সফটওয়্যার – যেগুলো আমরা জানি Binary Signal Software নামে, ভিবিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এখন ভালো মানের ট্রেডার রা সিগনাল দেয় – যেমন নিচের ছবি টি “Daily Binary Profts V7” সিগনাল সফটওয়্যার এর। ডান দিকে সবুজ রং এর সফটওয়্যার টি ইন্ডিকেট করছে NZD/USD আর ৩ মিনিট এর মধ্যে ১ থেকে ৫ মিনিট এর ট্রেড প্লেস করলে প্রফিট পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এখানে বলা বাহুল্য – এই সিগনাল গুলো দেয় যারা এই সফটওয়্যার গুলো তৈরি করছে তারা, এর সাথে Description ও দিয়ে দিচ্ছে কেন এইটা প্রফিটেবল হতে পারে – এর পর আপনার ইচ্ছা হলে আপনি ট্রেড করতে পারেন অথবা অন্য সিগনাল এর জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু Terms & Condition অনুযায়ী লস হলে সফটওয়্যার অথবা সিগনাল কে দায়ী করার সুযোগ নাই – কারণ যেকোনো সফটওয়্যার ব্যাবহার করার আগে Risk Warning পড়ে,  Agree করলেই সুধু মাত্র ব্যাবহার করা যায়। 

                                                          Daily Binary Profits V7 Signal

কিছু সফটওয়্যার আবার অটোমেটিক ট্রেড কপি করতে পারে – অর্থাৎ দক্ষ ট্রেডার যে ট্রেড টি করছে, তার তৈরি করা বিশেষ সফটওয়্যারটি  একি ট্রেড একই সময় আপনার অ্যাকাউন্ট এও করছে । এখানে আপনার কিছুই করতে হচ্ছে না – সফটওয়্যারটি আপনার অ্যাকাউন্ট এ নিজে থেকে সিগনাল এর উপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। এই রকম অটোম্যাটিক ট্রেডিং সফটওয়্যার গুলো পরিচিত “Binary Trading Robot” নামে। নিচে একটি ফ্রি রোবট “Binary Options Robot” এর স্ক্রিনশট এ দেখেন – উপড়ে বাম দিকে একটি সবুজ বাটন আছে – Robot On/Off. এইটা অন্য করলে অটো ট্রেড করবে, আর অফ করলে আপনি ম্যানুয়াল ট্রেড করতে পারবেন।

কারা মূলত এই সফটওয়্যার গুলো কিনে?
বাইনারি সফটওয়্যারে এর মুল ক্রেতা হচ্ছে ইনভেস্টর রা। যেমন – যারা বেটিং সাইট এ ইনভেস্ট করে, ট্রেডিং এ ইনভেস্ট করে, প্রোজেক্ট এ ইনভেস্ট করে,  বাইনারি তে ইনভেস্ট করার জন্য অবশ্যই সচ্ছল হতে হবে, যারা অনলাইন এ কিভাবে আয় করে (Make Money) ওরা বাইনারি তে ইনভেস্ট করবে না। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে – যারা বর্তমান এ সচ্ছল ও ইনভেস্ট করতে ও রিস্ক নিতে প্রস্তুত সুধু মাত্র তারাই বাইনারি এর ক্রেতা।

বর্তমান এ কোন বাইনারি প্রডাক্ট গুলো ভালো কনভার্ট হচ্ছে?
মার্কেট এ ৬০ টির ও বেশি রোবট / সিগনাল সফটওয়্যার আছে, কোনটা রেখে কোনটা প্রমট করবেন এইটা ঠিক করা একটু কষ্ট কর মনে হতেই পারে। আমি ৫ টি প্রডাক্ট এর নাম দিচ্ছি এগুলো ভালো কনভার্ট হয়, লিঙ্ক এ ক্লিক করলে সরাসরি JV পেইজ পাবেন –
১। Binary Matrix Pro ($200 CPA / NET 18) – CLICK HERE FOR JV PAGE
২। Safe Trader App ($200 CPA / NET 32) – CLICK HERE FOR JV PAGE
৩। Secret Millionaire Club ($220 CPA / NET 32) – CLICK HERE FOR JV PAGE
৪। Binary Cash Creator ($200 CPA / NET 32)  – CLICK HERE FOR JV PAGE
৫। Auto Quick Income ($200 CPA / NET 18) – CLICK HERE FOR JV PAGE

কিভাবে প্রমট করবেন?
বিভিন্ন ভাবে আপনি বাইনারি প্রমট করতে পারেন, আমি ২ – ৩ পদ্ধতি আলোচনা করব যেগুলো আমার জন্য ভালো কাজ করছে – 

১। Review Article + Video: কাস্টমার কেনার আগে অনেক সময় এ  রিভিও চেক করে নেয় আগে। রিভিও আর্টিকেল আর রিভিও ভিডিও সবচাইতে ভাল কাজ করে। আপনি চাইলে Fiverr.com থেকে একজন রাইটার হায়ার করে রিভিও আর্টিকেল লিখাতে পারেন, আর একজন Video Artist হায়ার করে সেই একি আর্টিকেল থেকে একটি রিভিও ভিডিও করে নিতে পারেন। ইউটিউব এ ভিডিও টি পোস্ট করেন এবং আর্টিকেল সাবমিট করার সময় আর্টিকেল গুলো এর মধ্যা ভিডিও টি ও Embed করে দিতে পারেন। একটা ভালো রিভিও তে অবশ্যই – সূচনা , প্রডাক্ট টি কি ও কে তৈরি করেছে, কিভাবে কাজ করে, এর সুবিধা, অসুবিধা আর টিপস অবশ্যই থাকে। 
২। How to Article + Video: রিভিও এর পর পর এ যেটা কাজ করে সেটা হচ্ছে How To – অনেক লক এ সারাক্ষণ খুঁজতে থাকে  বাইনারি কি, কিভাবে ট্রেড করে – ওদের জন্য টিপস সহ আর্টিকেল লিখে আপনি যে কোন একটি সফটওয়ার Recommand করতে পারেন। ভিডিও করতে পারেন বাইনারি কি, কিভাবে ট্রেড করে, সিগনাল কি আর ভালো কিছু সিগনাল সফটওয়্যার এর নাম দিতে পারেন, আর Description এ ডাউনলোড লিঙ্ক। 
৩। Forum: ইনভেস্টমেন্ট ও ট্রেডিং ফোরাম গুলো তে থ্রেড ওপেন করতে পারেন এর উপর, যারা সিগনাল খুজতেসে তাদের থ্রেড এ উত্তর দিতে পারেন। 

৪। FaceBook Page: ফেইসবক এ ভালো প্রোমোশন করা যায়, তবে সরাসরি সেল করার চেষ্টা করবেন না, যেটা করবেন শয়েটা হচ্ছে একটি পেজ ওপেন করতে পারেন যেখানে আপনি এই ইন্ডাস্ট্রি এর বিভিন্ন আপডেট, নিউজ, ডিসকাউন্ট অফার গুলো দিতে পারেন আর আদ দিয়ে সেই পেইজ টি প্রমট করবেন। এর পর নতুন প্রডাক্ট আসলে আপনি নিউজ হিসাবে দিতে পারেন, রিভিও দিতে পারেন অথবা বিভিন্ন ফ্রি গিফট অফার করতে পারেন – যারা আপনার লিঙ্ক থেকে কিনবে তাদের প্রত্যেক ১০ জন এর একজন একটা $100 আমাজন গিফট কার্ড পাবে, অথবা প্রত্যেক ৫০ জন একটি মোবাইল গিফট পাবে। এইটাও করতে পারেন – রিভিও পোস্ট করবেন – আর যার শেয়ার করা লিঙ্ক এ বেশি লিকে পরবে সে পুরস্কার পাবে। একটা কথা মাথায় রাখবেন – ফেইসবক একটি সোশাল মিডিয়া,  এখানে আপনি যত বেশি সোশাল মার্কেটিং প্লান করতে পারবেন তত ভালো করবেন – সরাসরি প্রডাক্ট এর আদ দিয়ে সেল পাওয়া তা একটু কষ্ট। আর আপনার পেইজ টি আপনি Facebook PPC এর মাধ্যমে প্রমট করতে পারবেন, পোস্ট গুলো Boost করতে পারবেন – মোট কথা ট্রাফিক আপনি টাকা খরচ করলেই পাবেন, সুধু ভালো একটা মার্কেটিং প্লান থাকলেই প্রফিট করা সম্ভব। 
৫। Paid Banner Ad: আপনার যদি ইনভেস্ট করার মত টাকা থাকে তাহলে আপনি এড দিতে পারেন ভিবিন্ন investment টপিক এর  সাইট এ। যেমন http://www.investopedia.com,  http://investorplace.com, http://www.nasdaq.com – এরকম অসংখ্য সাইট আছে যেখানে আপনি টার্গেট কাস্টমার দের পাবেন। আপনি একটু গুগল এ সার্চ করলেই অনেক অনেক সাইট পাবেন, ওদের সাথে রেট নিয়ে আলোচনা করুন, আপনার বাজেট এ আসলে – ভালো মানের ব্যানার তৈরি করে ওই ব্যানার গুলো ওই সাইট গুলো তে এড এর জন্য দিয়ে পারবেন। ব্যানার তৈরি করার একটি ভালো সাইট হচ্ছে – http://20dollarbanner.com. ভালো ব্যানার এর উপর ভালো ROI নির্ভর করে, একটু অল্প তে ভালো মানের ব্যানার করতে চাইলে আমার পছন্দের এক ডিজাইনার এর সাহায্য নিতে পারেন।  আমার কথা বললে হয়ত কিছু ডিস্কাউন্ট ও পেতে পারেন 

আর অবশ্যই চেষ্টা করবেন ভালো মানের একটা ল্যান্ডিং পেইজ ব্যাবহার করতে, কারণ আপনার কাছে যদি অনেক মানুষ এর ইমেইল এড্রেস থাকে, এবং যারা আপনার ল্যান্ডিং পাইজ এ এসে নিজের ইচ্ছায় তার ইমেইল আপনাকে দিয়েছে – পরবর্তী তে আপনি কিন্তু আপনি আপনার ইমেইল লিস্ট এ ইমেইল করলেই কাস্টমার পাবেন। যদি আপনি না জানেন কিভাবে এই লিস্ট বিল্ডিং এর সেটআপ করবেন – আমার করা এই ভিডিও টি দেখতে পারেন। কিভাবে প্রমট করবেন এই সম্পর্কে আরও ধারনা পেতে আমার YouTube চ্যানেল  এর ভিডিও গুলো দেখতে পারেন। 

আপনি চাইলে আপনার ব্লগ এ আমার এই লেখা টি শেয়ার করতে পারেন, কিন্তু অবশ্যই Source / Credit  এ আমার এই মেইন পোস্ট এর লিঙ্ক আর আমার নাম দিবেন।
কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট এ জানান।